8.9 C
New York
Wednesday, May 6, 2026
No menu items!
Homeবিশেষ সংবাদজি ২০ সম্মেলনে শেখ হাসিনা দিলেন মাস্টারস্ট্রোক

জি ২০ সম্মেলনে শেখ হাসিনা দিলেন মাস্টারস্ট্রোক

প্রান্তজন ডেস্ক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই মাস্টারস্ট্রোক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের বিশেষ অতিথি দিল্লিতে গেলেন। সফরের প্রথম দিনেই নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। এই প্রথম বাংলাদেশ জি-টোয়েন্টি ফোরামের অংশ হল। এটিই একমাত্র দক্ষিণ এশিয়ার দেশ যাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জি-টোয়েন্টির সদস্য না হয়েও বাংলাদেশ পাচ্ছে বিশেষ সম্মান। শীর্ষ সম্মেলনে দেশটার গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো প্রভাব ফেলবে গোটা বিশ্বে
ইন্দো প্যাসিফিক পলিসি ফ্রেমের পয়েন্ট হিসেবে ঢাকাকে তুলে ধরার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম জি-টোয়েন্টি। সম্মেলনের পরপরই ঢাকা যাবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। সম্মেলনের আগেই ঢাকা ঘুরে গেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
কিন্তু হঠাৎ এই সম্মেলনে বাংলাদেশকে ডাকা হল কেন? কারণটা কিছুটা ভূরাজনৈতিক। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তি এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে কৌশলগত অবস্থান দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভারত চীন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াসহ বহু দেশের। ২০২২ সালে বাংলাদেশ ছিল ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি। কিন্তু গত এক দশকে বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৫ থেকে ৭ শতাংশ। ২০৫০ সালের মধ্যে দেশটা পরিণত হবে ২৩তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে।
বাংলাদেশ সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সূচকে ছাপিয়ে গিয়েছে বহু প্রতিবেশী দেশকে। বাংলাদেশ এখন সম্ভাবনামায় সোনার হাঁসের মতো। এমনটাই বলছে ফেয়ার অবজারভারের প্রতিবেদন। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব বাণিজ্যের আঞ্চলিক কেন্দ্র। হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত বিনিয়োগের আকর্ষণীয় জায়গা। ঢাকার উপর লক্ষ্য রয়েছে শক্তিধর বহু রাষ্ট্রের। চীন এরইমধ্যে সফলভাবে বাংলাদেশকে যুক্ত করেছে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে। বাংলাদেশ কিন্তু চীনকে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রভাব বিস্তার করতে আর মালাক্কা প্রণালীতে বিকল্পের রুট তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। তাই বাংলাদেশকে চীনের প্রভাব মুক্ত রাখতে উঠে পড়ে লেগেছে বহু রাষ্ট্র।
চলতি বছরের শুরুতেই ওয়াশিংটন বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে ভিষা নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছিল। যার কারণে যথেষ্ট চাপে রয়েছে দেশটি। এত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও কোন প্রভাব পড়েনি দিল্লি ঢাকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে ত্রিপুরার সাথে রেল সংযোগ এবং রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটের উদ্বোধন হয়েছে। এছাড়াও কথা হয়েছে টাকা ও রুপিকার্ডের সুবিধা নিয়ে। বৈঠকে জি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের অবস্থান এটাই প্রমাণ করে যে, ভারত চলে তার নিজস্ব মূল্যায়নের ভিত্তিতে। তার নিজস্ব বৈদেশিক নীতির গতিপথ অনুযায়ী।
ভারত এটা খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিল পশ্চিমাদের । খুব ব্যালেন্স করে চলছে বাংলাদেশ আর যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের মাঝে। নিরপেক্ষ ভাবে বন্ধুত্ব বজায় রেখেছে রাশিয়ার সঙ্গেও।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments