বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রামে সদর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে দুটি ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ভোররাতে দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় সাধারণ ডায়রী করেছেন।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, রুটিন অনুযায়ী রোববার দিবাগত রাতে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় পাহাড়া দেওয়ার জন্য গ্রাম পুলিশ শরিফুল ইসলাম ও মোবারক হোসেনের দ্বায়ীত্ব ছিল। তাদের বিভিন্ন সমস্যা থাকায় গ্রাম পুলিশ বেলাল হোসেন দায়িত্ব পালন করতে ছিল। রাত দেড়টার দিকে পাহাড়া শেষে বাড়ি চলে যায় বেলাল হোসেন। সকালে পরিষদ খুলতে গিয়ে পরিষদের কক্ষে তালা ভাংগা অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। ভিতরে গিয়ে দেখা যায় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তার কক্ষে থেকে ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে গেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মমিন আলী বলেন, রাতে গ্রাম পুলিশের পাহাড়া দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা দ্বায়ীত্ব পালন না করে বাড়ি চলে যায়। যার ফলে এই ঘটনা ঘটেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রাম পুলিশ মোবারক হোসেন বলেন, জরুরী এক ব্যাক্তিকে রক্ত দেওয়ার জন্য হাসপাতালে ছিলাম। বেলাল হোসেন আমাকে বলে ছিল সমস্যা নাই, আমি তো আছি। টেনশন করনা। পরে জানতে পারি পরিষদে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গ্রাম বেলাল হোসেন, দ্বায়ীত্ব পালন শেষে আমি বাড়ি চলে যাই। কখন কিভাবে এই ঘটনা ঘটল আমি কিছুই জানি না। উদ্যোক্তা নীলা চৌধুরী বলেন, আমরা পরিষদের কাজ শেষ করে বাড়ি চলে যাই। সকালে এসে দেখি আমাদের কক্ষের তালা ভেঙ্গে সহকর্মী সুজন আলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে গেছে। বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্ত চলছে। চুরি যাওয়া ল্যাপটব উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।



