জাহিদ হাসান, স্টাফ রিপোর্টার: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং কৃষকদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নাটোরের বড়াইগ্রামে কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) উপজেলার গড়মাটি এলাকায় পার্টনারশিপ ইন ব্র্যাক ব্যাংক-ডিএই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পভুক্ত কৃষি উন্নয়ন সমিতির সদস্য কৃষক-কৃষাণী এবং সমিতির পার্শ্ববর্তী এলাকার কৃষকদের মধ্যে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়।চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নাটোরের উপপরিচালক মো. হাবিবুর ইসলাম খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আব্দুল আজিজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকার প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের উপপরিচালক (লিগ্যাল ও সাপোর্ট সার্ভিসেস) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের পরামর্শক কৃষিবিদ ড. বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, পার্টনারশিপ ইন ব্র্যাক ব্যাংক-ডিএই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ শারমিন সুলতানা এবং বড়াইগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব আল মারুফ। এ সময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আশরাফ আলী,বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ মোল্লা, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবি এম ইকবাল হোসেন রাজু, সহ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বক্তারা কৃষকদের কৃষিকাজের পাশাপাশি পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করেন। তারা বলেন, ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি কৃষক পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সবুজায়ন বৃদ্ধি ও ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। বক্তারা বিতরণ করা প্রতিটি চারা যথাযথ স্থানে রোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে গাছগুলোকে বড় করে তোলার জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অর্থায়নে এবং ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির সহযোগিতায় পার্টনারশিপ ইন ব্র্যাক ব্যাংক-ডিএই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ চারা বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।



