8.9 C
New York
Wednesday, April 8, 2026
No menu items!
Homeজেলার খবরমাহমুদুল হাসান মেমন বনপাড়া পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী

মাহমুদুল হাসান মেমন বনপাড়া পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার : আপনাদের সন্তান, ভাই, বন্ধু এবং সকলের পরিচিত মুখ। তাঁর পিতা মোঃ শফিকুল ইসলাম ছহির উদ্দিন। তিনি ১৯৯০ সালের ২০শে মার্চ বনপাড়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড মহিষভাঙ্গা গ্রামে এক সুনামধন্য রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তাঁর শিক্ষাজীবনে বনপাড়া সেন্ট যোসেফ স্কুল এন্ড কলেজ থেকে প্রাথমিক এবং ২০০৫ সালে মাধ্যমিক পাশ করেন। ২০০৮ সালে বনপাড়া ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি দেশের ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ থেকে দর্শন বিভাগে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিভাগ ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ায় মাহমুদুল হাসান মেমন ছাত্রজীবনেই রাজনীতির সাথে সক্রিয় হয়ে পড়েন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা কলেজ শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব¡ পালন করেন। সে সময় বিএনপি বিরোধী দলে থাকলেও তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে সকল দায়িত্ব ও কর্মসূচি পালন করেন। পড়াশোনা শেষ করে এলাকায় ফিরে তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল বনপাড়া শহর শাখার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর পরিবার কয়েক যুগ ধরে অপূরণীয় ক্ষতি, ত্যাগ ও তিতিক্ষার মধ্যেও সক্রিয় রাজনীতির মাধ্যমে এগিয়ে চলেছে। ২০০২ সালে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তাঁর ছোট চাচা শহীদ আলম। মৃত্যুর দুই যুগ পেরুলেও এখনো এর সুষ্ঠু বিচার হয়নি, পরিবার হয়েছে বিচারবঞ্চিত। তাঁর বড় চাচা সাহের উদ্দিন দীর্ঘদিন ৫ নং মাঝগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং বড়াইগ্রাম উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকায় উন্নত চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন, যদিও পরিবারের মধ্যে এ মৃত্যুকে ঘিরে এখনো সন্দেহ রয়ে গেছে।
তাঁর মেজো চাচা তোরাপ হোসেন মোল্লা এবং চাচাতো ভাই শামীম মোল্লা রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় দীর্ঘদিন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রয়েছেন। একইভাবে তাঁর আপন ছোট ভাই মোঃ রিমন মোল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে ঢাকার রাজপথে গুরুতর আহত হন এবং মৃত্যুর কাছাকাছি থেকে ফিরে আসেন। এমনকি আহত অবস্থায় বাড়িতে ফেরার পরও তৎকালীন প্রশাসনের তল্লাশি ও হয়রানির শিকার হন। এক কথায় বলতে গেলে, বড়াইগ্রাম উপজেলায় রাজনৈতিক পরিবারগুলোর মধ্যে মাহমুদুল হাসান মেমনের পরিবার সবচেয়ে বেশি নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে-এ কথা আজ সকলেরই জানা।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ, বিনয়ী এবং মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী একজন মানুষ। তাঁর বিরুদ্ধে কখনো কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি সর্বসময়ই দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ভেদাভেদ ভুলে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মান দিয়ে চলেন। তাঁর এই বিনয়ী ও উদার মানসিকতার জন্য সর্বজন প্রশংসিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
বর্তমানে তিনি বনপাড়া পৌরসভার উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সুপরিকল্পিত ভবিষ্যৎ ভিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় ১২ দফা অঙ্গীকার ঘোষণা করেছেন, যেখানে তিনি এই শহরকে আধুনিক, সুন্দর এবং সেবামুখী একটি পৌরসভায় রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মাত্র ৩৮ বছর বয়সী একজন শিক্ষিত, মার্জিত, বিনয়ী ও উদ্যমী তরুণ এই নেতা বিশ্বাস করেন-পরিবর্তনের জন্য নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দিতে হবে। তিনি বলেন, তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে বনপাড়া পৌরসভায় একটি স্বচ্ছ, মানবিক ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করি।
তিনি ইতিমধ্যে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে বনপাড়া পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা করেছেন।
তাই বনপাড়া পৌরসভার সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান-আপনাদের সন্তান, আপনাদের ভাই, আপনাদের বন্ধু মোঃ মাহমুদুল হাসান মেমনকে আপনারা সহযোগিতা করুন। আপনাদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে তাঁকে একটি সুযোগ দিন, যেন তিনি আপনাদের সেবা করার সুযোগ পান এবং তাঁর পরিবারের মতোই জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারেন।

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments