প্রান্তজন রিপোর্ট: ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নাটোরসহ সারাদেশে জ্বালানি তেল সংকট দেখা দিয়েছে। মোটরসাইকেলসহ ছোট-বড় যানবাহনগুলোকে সীমিত পরিসরে তেল নিতে হচ্ছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে নাটোর শহরের কয়েকটি জ্বালানি তেলের পাম্পে ঘুরে দেখা গেছে তেল সংকটের চিত্র। রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন পাম্প ছাড়াও অন্যান্য জ্বালানি তেলের পাম্পে জ্বালানি পাওয়া গেলেও, সেখানে সিরিয়াল অনুযায়ী নিতে হচ্ছে সীমিত পরিমাণে তেল।
পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল নিতে মোটরসাইকেল চালককে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। প্রতিটি মোটরসাইকেলকে দিনে একবার ২০০ টাকা বা ১০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। এত অল্প টাকার জ্বালানি তেল পাম্প থেকে দেওয়ায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে খোলা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে চাহিদা অনুযায়ী পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল মিলছে এমন অভিযোগও রয়েছে।
একজন মোটরসাইকেল চালক বলেন, শহরের উত্তর বড়গাছা হাফরাস্তা নাটোর ফিলিং স্টেশনে ২০০ টাকার তেল দিলেও অন্যান্য পাম্প দিচ্ছে ১০০ টাকার তেল। ফলে মোটর সাইকেলযোগে যাতায়াতের ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। কামাল হোসেন নামে একজন ক্রেতার ভাষ্য, সকাল বেলায় তিনটি পাম্প ঘুরে ৪০০ টাকার তেল নিয়েছি। ফলসাল নামের অন্য একজন বলেন, যার যতটুকু তেল প্রয়োজন ঠিক ওইটুকু তেল সংগ্রহ করলে কোনো সমস্যা হতো না। জ্বালানি তেল সংকটের কথা শুনে হুমড়ি খেয়ে তেল ক্রয় করছে অনেকে।
পেট্টোল পাম্পগুলোতে জ্বালানী সংকট প্রসঙ্গে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নাটোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হাসান বলেন, আজ সকালে আমরা নাটোর শহরের কয়েকটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেছি সেখানে তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে তেলের পরিমাণ কতটা বা কত লিটার হবে সেটা সরকার নির্ধারিত হবে। তবে তিনি আরো বলেন, জ্বালানী তেল খোলাবাজারে বিক্রির কোন নিয়ম নেই। কোথাও তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির প্রমাণ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



