রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে এলাকা ভিত্তিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাজশাহীর মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাখির ছেলে স্কুলছাত্র সানি (১৭) হত্যা মামলার আরও দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫। বুধবার (৬ জুলাই) রাতে ঢাকার শ্যামলী এলাকা ও নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজশাহী মহানগরীর হেতেমখাঁ এলাকার শফিকের ছেলে শাহী (১৯) ও একই এলাকার মৃত সোহেলের ছেলে রাহিম (১৯)। হত্যাকা-ের ঘটনায় নিহতের বাবা রফিকুল ইসলাম পাখি বাদী হয়ে সোমবার (০৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালিয়া থানায় একটি হত্যা মামালা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলায় সর্বমোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর র্যাব-৫, মোল্লা ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। র্যাব জানায়, সানি হত্যার পরপরই আসামীরা বিভিন্ন পথে বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করে। পরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় পরিবহনের মাধ্যমে ঢাকায় আশ্রয় গ্রহণ করে। র্যাবের আভিযানিক দল ও গোয়েন্দা শাখা দল অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মহানগরীর শ্যামলী থেকে শাহীকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাহিমকে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ঘটনার ২৪ ঘন্টা পর আমিন (১৮) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছিলো রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। এর আগে গত ৩ জুলাই রাতে আহত বন্ধু সিজারকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে দেখতে যায় নিহত সানি। এ সময় কয়েকজন যুবক জোর করে তুলে রাজশাহী মহানগরীর হেতেমখাঁ সবজিপাড়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরবর্তীতে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সানি হত্যা মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, মুহিন ওরফে আন্নাফ, তার মা মহানগর মহিলা দলের ক্রীড়া সম্পাদক বিথী, সিফাত, রাহিম, সোহরাব খান লাল, শাহী, শিউলি ও অনিম। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃদেরকে বোয়ালিয়া থানার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।






